“এ
ছোটু, ইধার আ। কিতনে কা হ্যায়?” সাদা রঙের লম্বা গাড়িটার কাঁচটা একটু নেমে এল। ভেতর
থেকে গোঁফওয়ালা ফর্সা লোকটা মুখ বাড়িয়ে জিজ্ঞাসা করল। মকবুল আকাশ থেকে চোখ নামিয়ে
সামনের মেটে গাড়িটাকে পাশ কাটিয়ে এগিয়ে গেল সাদা গাড়িটার দিকে। ভেতর থেকে সবুজ
জামা পরা টোবা গালের ফর্সা বাচ্চাটা মকবুলের হাতের দিকে আঙ্গুল তুলে বলে উঠল, “পাপাজি উও অরেঞ্জওয়ালা, উও অরেঞ্জওয়ালা লে লিজিয়ে না।” পাশ থেকে লাল চকমকে
সালওয়ার-কামিজ পরা তার মা সাথে সাথে বলে উঠল, “ওয়েট বেটা, কিমাত তো পুছনে দো
পাপাজি কো।” “চালিশ রুপেয়া প্যাকেট স্যার, লে লিজিয়ে না স্যার, বহুত দের তক
জ্বলেগি”- মুখস্থ স্বরে বলে ওঠে মকবুল। ততক্ষণে তার চোখ চলে গেছে বাচ্চা ছেলেটার
হাতের দিকে। কি দারুণ চকচকে বন্দুকটা। নতুন বোঝাই যাচ্ছে। নিশ্চয়ই অনেক ক্যাপও
কিনেছে। ইশ তারও একটা বন্দুক ছিল। মা কে বায়না করে আদায় করেছিল। বছর তিনেক আগে
অবশ্য। তারপর জং ধরে গেল, আর ওটা দিয়ে ক্যাপ ফাটানো যায় না। অবশ্য ক্যাপই বা কোথায়
তার? গেল বার থেকেই তো সেসবের পাট উঠেছে মকবুলের।
“চালিশ!!!?
পাগল হ্যায় ক্যা? বিশ পে বিক রাহা হ্যায় পিছলে ক্রসিং পে। সিগন্যাল হো গয়া, দে দে
বিশ পে।”-চমক ভাঙ্গে মকবুলের। “নেহি স্যার, প্যাঁয়তিশ দে দিজিয়ে।”
“হঠ
শালে, সিগন্যাল হো চুকা। ইশ উম্র সে হি শিখ গয়া শালা বিশ কে চিজ চালিশ পে।”-গাড়ির
প্যাঁ-পোঁ হর্নের মধ্যেই কোন ক্রমে গাড়ির জঙ্গল থেকে ছিটকে বেরিয়ে এসে ফুটপাথে ওঠে
মকবুল হাতের মোমবাতির প্যাকেটগুলো সামলে। পঁয়ত্রিশ-এর এক পয়সা কমে বেচতে বারণ করেছে বিক্রম শেঠ। কুড়ি টাকায় দিলে
তো হয়েই যেত। বাকিটা তার পয়সা থেকে কেটে নিত শেঠ। চলতে থাকা গাড়ির স্রোতের মধ্যে
ঘাড় উঁচু করে এদিক ওদিক দেখল মকবুল। শনুকে দেখা যাচ্ছে না কোথাও। বোধহয় উল্টো দিকে
আছে। ওদিকের গাড়িগুলোকে থামিয়ে রেখেছে এখন। ওখানেই আছে নিশ্চয়ই শনু। শনু কখনও
দাঁড়ায় না। এই এত্তবড় চৌমাথায় কোন না কোন দিকের গাড়ি সব সময়ই আটকে থাকে। শনু ঠিক
সিগন্যাল দেখে শুনে খরগোশের মতন লাফ মেরে আটকে থাকা গাড়িগুলোর কাছে পৌঁছে যায়। কোনদিকের
কোন সিগন্যালটা কার পরে খুলবে এই ব্যাপারটায় ও-র মতন এখনও সড়গড় হয়নি মকবুল। পরবর্তী
লাল সিগন্যালের জন্য অপেক্ষা করে মকবুল।
ফুটপাথে
দাঁড়িয়ে গাড়ির মিছিল দেখতে দেখতে মকবুলের মনে তক্ষুনি দেখা চকচকে কালো রঙের
বন্দুকটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ক্যাপ ফাটাতে দারুণ লাগে মকবুলের। যে বছরে
বন্দুকটা কিনে দিয়েছিল মা সেবছর সে আর দীপক মিলে খুব ক্যাপ ফাটিয়েছিল পুরো দশটার
প্যাকেট কিনে দিয়েছিল দীপকের বাবা তাদের। আজও সে দেখেছে শেঠের গুদামে কাল নতুন মাল
এসেছে। তাতে বন্দুক, ক্যাপ আর অনেক কিছু আছে। এগুলো অবশ্য তাদের দিয়ে বিক্রি করাবে
না শেঠ। এগুলো সব দোকানে দোকানে যাবে। জানে মকবুল। সেগুলো অবশ্য এখুনি গাড়িতে দেখা
বাচ্চা ছেলেটার হাতের বন্দুকটার মত অত ভাল নয়। সেটা তো যেমন বড়, তেমনি চকচকে।
সামনের নলটা কত বড়। শেঠের গুদামের মতনই একটা বন্দুক থাকলে বেশ ভাল হত। একটা
ক্যাপের প্যাকেট পেলে শনুর সাথে দেওয়ালীতে বেশ ফাটানো যেত। আব্বুকে বললে হয়ত রাগের
মাথায় দুচার ঘা দিয়েই দেবে পিঠে। কি যে হয়েছে আব্বুর? সবসময় রেগেই আছে। কালকে রাতে
বিক্রম শেঠের গুদাম থেকে বাকি মাল জমা করে ফেরার সময় চকে এগরোলের গন্ধে দাঁড়িয়ে
পড়েছিল মকবুল। খিদেও পেয়েছিল বেজায়। এগরোল সে খেয়েছে দু-দুবার। একবার দুর্গাপুজোর
সময় মতিকাকা রোলের দোকান দিয়েছিল হাসপাতাল মাঠের মেলায়। তাকে রেখেছিল মতিকাকা হাতে
হাতে যোগান দেবার জন্য। আর একবার দীপকের সঙ্গে রসুলপুরের মেলায় গিয়ে একটা রোল কিনে
দুজনে খেয়েছিল। দীপকের কথা মনে পড়লে বড্ড মন খারাপ করে মকবুলের, যদিও এখানে শনুর
সাথে তার ভালই ভাব হয়েছে এই দেড়বছরে। তাও দীপকের মত কি আর? শনুর সাথে তো হিন্দি
বলতে হয়। যদিও সে এখানকার ভাষা দিব্বি চালিয়ে নিতে পারে তাও ভাল করে কি আর গল্প
করা যায় হিন্দিতে? ব্যাটা একবর্ণ বাংলা শেখেনি তার সাথে থেকেও। কাল রোলের দোকানের
সামনে শনুও ছিল তাদের সাথে। সে জানত এগরোল কিনতে দেবেনা আব্বু। তাও মুহূর্তের জন্য
থেমে রোলের ঠ্যালাগাড়িটার দিকে তাকিয়েছিল সে। আব্বু ওর সামনেই কান ধরে এক থাপ্পড়
মারল মকবুলকে-“খাবার দেখলেই ছোঁক-ছোঁক করা না খালি? পেটে কি সেঁধিয়েছে রে
হতচ্ছাড়া? চল পা চালিয়ে।” খুব কান্না পাচ্ছিল তখন। মা তাকে খাওয়া নিয়ে কখনও বকেনি।
মায়ের কথা মনে হলেই এখনও মনটাকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিতে হয় তাকে। কতদিন হল? দু-বছর
প্রায়। এখানেই তো তাদের প্রায় দেড় বছর হয়ে গেল। সরকারী হাসপাতাল থেকে আব্বু আর
চাচাদের সাথে মাকে আনতে গেছিল মকবুল। কেমন যেন ন্যাকড়া জড়ানো পুঁটলি মনে হচ্ছিলো
মাকে। অথচ মাটি দেবার আগে সেই মুখটাই কেমন হাসি হাসি লাগছিল মকবুলের। কেমন যেন
শান্ত। পুঁচকে ভাইটাও বাঁচলনা, যে জন্য মায়ের হাসপাতালে যাওয়া। আর তারপর থেকেই
আব্বুও যেন কেমন হয়ে গেল। মকবুলের সঙ্গে কথাই হত না। চাচীর দাওয়ায় ভাত খেতে বসে
একদিন বলল, “তোকে আর ইস্কুলে যেতে হবেনি কাল থেকে। আমরা সামনের রোববার চলে যাব।”
“কোথায় যাব”- জিজ্ঞাসা করতে বলেছিল, “অতকথায় তোর কি রে? পেট ঠুসে ভাত গিলছিস, তাই
গেল না। আমার সনে যাবি রোববার ব্যাস।” তারপর তো একটা অচেনা লোকের সাথে সারারাত ধরে
ট্রেনে চেপে এই শহরে। লোকটা নাকি কামালুদ্দিন চাচার কোন কুটুম। হবে হয়ত। আব্বু তো
তার সাথে হেসে হেসে কথা কইছিল ট্রেনে। ট্রেনে আসতে ভালই লাগছিল মকবুলের। এত দূরে
ট্রেনে চেপে কোনদিন আসেনি সে। কেমন হু হু করে হাওয়া দিচ্ছিল জানলায় দাঁড়ালে। শুধু
দীপকের জন্য একটু একটু মন খারাপ লাগছিল তার। তারা দুজনে এলে বেশ ভাল হত। কিন্তু
দীপক কেন আসবে তার সাথে? দীপক তো ইস্কুল ছেড়ে দেয়নি তার মত। সে তো নতুন শহরে কাজ
করবে। আব্বু বলেছে এই লোকটাকে তার জন্যও কাজ দেখতে। তারপর সেই লোকটা মানে আব্দুল
ভাই-ই আব্বুর রিক্সার মালিকের কাছে আর তার এই সিগন্যালের হকারির জন্য বিক্রম শেঠের
কাছে তাদের নিয়ে গেছিল।
সকালে
বিক্রম শেঠের গুদাম থেকে মাল তুলেছে সে। কদিন ধরেই রংবেরং এর নানান কিসিমের মোমবাতির
প্যাকেট দিচ্ছে তাকে শেঠের লোক। সামনে দেওয়ালী। এসময় বিকবে ভাল। শনুকে আজ দিয়েছে
নানা রঙ এর আবির। একটু অবাক হয়েছিল মকবুল তা দেখে। আবির তো দোলের সময় লোকে কেনে
বলে জানে সে। এখানে যাকে বলে হোলি। শনু- গুদাম থেকে বেরিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিল, “আরে
দেওয়ালী কে টাইম ইশসে রঙ্গোলী বানাতে হ্যায় না, পতা নেহি তুঝে?”
-রঙ্গোলী?
- আরে
উও ডিজাইন বানাতে হ্যায় না ঘর পে? ভগবান কে সামনে?
- ও,
আলপনা? বুঝেছি।
-
ক্যা?
- আরে
হামারে দেশ মে আলপনা বলতে হে ইশকো। ম্যায়নে দেখা হ্যায় দীপক কে ঘর মে। কিন্তু শনু
উও তো আবির সে নেহি বানাতে থে। এক হি রঙ কা হতে থে। সাদা।
- সাদা?
ক্যা? তু ছোড়। ইঁহা পে ইস সে বানাতে হে। রঙ্গোলী-লাড্ডু-মিঠাই-পটাকে ইয়ে সব হোতা
হ্যায় দেওয়ালী।
-
হ্যাঁ রে, আমাদের ওখানেও সবাই কালীপূজোতে মানে...ইয়ে......দেওয়ালীতে পটকা ফাটাত।
কালিপটকা, চকলেট বোম। মুঝে না উও লাইটিংওয়ালী বাজি মানে পটাকে আচ্ছে লাগতে হ্যায়।
তুবড়ি, চরকি, তারাবাতি, ইয়েসব।
-আরে
হাঁ ইয়ার, তুঝে পতা হ্যায় দেওয়ালী মেলা লগে হ্যায় না পিছে, উঁহা পে না ইয়েসব
রোশনাই হোগা, আজ সে হি স্টার্ট। তিনদিন হোগা। চলেঙ্গে ইয়ার। আশমানমে দেখনা কিতনে
রোশনাই, তারে-ফুল জ্যায়সা।
-হাঁ
শনু, পতা হ্যায় মুঝে। শুন না, আমাদের গ্রামে...মানে...
-হাঁ
হাঁ পতা হ্যায় তেরে গাঁও মে......
-দেখা
হ্যায় ম্যায়নে। হোতা থা ওয়াসি রোশনাই...
দেশে
থাকতে মায়ের হাত ধরে ফলহারিনী কালিপুজোর দিনে শ্মশান কালী মন্দিরের পেছনের মাঠে
বাজি পোড়ান দেখতে যেত মকবুল। দূরে দাঁড়িয়ে হাঁ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো। ওপর
থেকে আলোর মালা, আলোর ফুলঝুরি, নেমে আসতো। নিচে ঝরনার মত বাজি পুড়ত। একবার সে আর
দীপক মিলে ঠিক করেছিল বড় হয়ে যখন টাকা হবে তাদের তখন একটা অন্ততঃ ওরকম বাজি কিনবে
তারা। সেই যে যেটা আকাশে উঠে বিশাল জায়গা জুড়ে ফুলের মতন হয়ে ফেটে পড়ে, ওরকম।
তারা
কালীপুজোয় বাজি পোড়ান দেখতে যেত শুনে অবাক হয়েছিল শনু।
-তু
যাতা থা? কালিপুজা মে?
- হাঁ।
কিঁউ?
- নেহি...মতলব...তু
মুসলমান হ্যায় না?
-তো
ক্যায়া হুয়া? হামারে উঁহা পে সব লোক যাতে থে। বাজি...মতলব রোশনাই দেখনে মে ক্যায়া হ্যায়? সবেবরাত মে ভি
তো দীপক আতে থে মেরে ঘর। ইঁহা পে নেহি যাতে
ক্যায়া?
-নেহি...উও
বাত নেহি...পর...ঠিক হ্যায় ছোড়...আজ রাত যায়েঙ্গে...রোশনাই দেখনে। পাক্কা।
-আব্বু
কো পুছনা হোগা শনু।
- ঠিক হ্যায়
ইয়ার, পুছ লেঙ্গে, রাত কো শেঠকে গুদাম সে তুঝে লেনে আয়েঙ্গে না? তব পুছ লেঙ্গে। জায়েঙ্গে
জরুর।
-ঠিক হ্যায়।
সকাল
থেকে সময় যেন আর কাটছে না মকবুলের। তিন প্যাকেট মোমবাতি বিক্রি করতে পেরেছে সে
সকাল থেকে। দুটো পঁয়ত্রিশে আর একটা চল্লিশে। পঞ্চাশ
প্যাকেট দিয়েছে গুদাম থেকে আজ। অন্ততঃ পঁচিশ প্যাকেট না বেচতে পারলে রোজ দেবার সময়
কথা শোনাবে শেঠ। কিন্তু বাজির কথা শোনার পর থেকেই আকাশে চোখ চলে যাচ্ছে মকবুলের।
পেছনের মাঠের বাজি শুরু হলে লম্বা বাড়িটার পাশ দিয়ে দেখা যাবে। তাই মাঝে মাঝেই ওদিকে
চোখ চলে যাচ্ছে তার। বিকেল থেকেই ওদিক থেকে চকলেট বোমের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে মকবুল।
কখন শুরু হবে কে জানে।
এইসব এদিক –ওদিক ভাবনার মাঝে দেখল আবার সিগন্যাল লাল হয়েছে। চোখ চারালো মকবুল।
গাড়িগুলো এসে জমছে আস্তে আস্তে। মকবুল প্যাকেটগুলো সামলে রাস্তায় নামলো। দূরে
শনুকে দেখতে পেল সে এতক্ষণে উল্টোদিকের ফুতপাথে। এদিকে আসার চেষ্টা করছে।
সাঁই-সাঁই গাড়ির মিছিল ভেদ করে আসতে পারছে না। নিজের কাজে মন দিল মকবুল। “মোমবাত্তি
লিজিয়ে।” লিজিয়ে না আঙ্কল, আচ্ছা হ্যায়।”
-“কিতনে ধুল হ্যায় ইয়ার, সিসা উঠা দে।”- গাড়ির ভেতর থেকে গলা ভেসে এলো। কাঁচ
উঠে গেলো গাড়ির।
পেছনের গাড়িটার দিকে গেল মকবুল। যেতে যেতেই শুনল-“দিয়া লেনা থা।” সাথে সাথে
গাড়ির পেছনের জানলা দিয়ে চোখ চারিয়ে বলল- “মোমবাত্তি হ্যায় দিদি...বহুত বড়িয়া...আচ্ছা
সেন্ট ভি হ্যায় ইশমে...রোজ...জেসমিন... স্রেফ চালিশ রুপেয়া প্যাকেট। লে লো না
দিদি।”
-“আচ্ছা এক প্যাকেট দে দে। জেসমিন।”
একটা প্যাকেট গাড়ির জানলা দিয়ে বাড়িয়ে দিয়ে মকবুল বলে ওঠে- “স্রেফ এক? দিদি অর
এক লে লিজিয়ে না। বহুত বড়িয়া হ্যায় দিদি। বহুত দের তক জ্বলেগি।”
-“নেহি অর নেহি, দিয়া লেনা থা। ইয়ে লে লিয়া।” কিছুতেই আর আর একটা বেচতে পারল
না মকবুল।
চারটে দশ টাকার নোট কোমরের থলিতে গুঁজতে গুঁজতেই প্রথম আতশবাজিটা চোখে পড়লো মকবুলের।
আকাশে উঠে বিশাল ফুলের মতন ছড়িয়ে পড়লো সারা বাঁ দিকের আকাশ জুড়ে। বাজির রোশনাই
শুরু হয়ে গেছে পিছনের মাঠে। তারপর আর একটা...তারপর আরও একটা। দুমদাম আওয়াজের সাথে
আকাশে আলোর মেলা। এখনি শুরু হয়ে গেল, তবে যদি তারা যেতে যেতে শেষ হয়ে যায়? চঞ্চল হয়ে
উঠলো মকবুল। শনুকে খুঁজল। এই দিকেই আসছে মনে হচ্ছে। ওহ না তো। কোণাকুণি উল্টো দিকে
যাচ্ছে যে। হ্যাঁ তাইতো। ওদিকেই তো গাড়ি আটকাবে এখন এদিকের সবুজ সিগন্যাল দিলে। “শনু-উ-উ-উ”
বলে চেঁচিয়ে ডাকল একবার মকবুল। শুনতে পায়নি শনু। শনুকে কথাটা বলে আবার এদিকে চলে
আসতে হবে। তাড়াতাড়ি রাস্তা পেরিয়ে ওপারে যেতে শুরু করল মকবুল।
Bishon sundor golpo ta. Touched the heart.
ReplyDeleteধন্যবাদ Anusia. ট্রাফিক সিগন্যালে বাচ্চাগুলোকে জিনিসপত্র নিয়ে প্রাণ হাতে করে ছোটাছুটি করতে দেখি। ওদের দেখি-ভাবি-আর ব্লগে গল্প লিখি। আর কি করব। গল্পটা ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগলো। বাকি অংশটুকুও ভাল লাগবে আশা করি।
Delete