হাচিঃ দাঁড়া, টুকে নিই। এঁ ড়ে ত র্ক। হ্যাঁ হয়েছে। পরে ভাইপোর সাথে কথা কইতে গেলে এই কথাটা চালিয়ে দেওয়া যাবে। বড্ড তক্ক করে কথায় কথায়। ও হ্যাঁ, ওই গরমকালে তরমুজ চোষার কথাটা ভাইপোর কানে তুলিসনি যেন। অসভ্যের মতন দাঁত দেখিয়ে হাসবে। বড় ত্যাঁদড় হয়েছে দিন দিন মায়ের আশকারায়। এই, এঁড়েতর্ক মানেটা কি রে? এঁড়ে বাছুরের মত তর্ক করা?
দিদিঃ আমি জানি না যা, এঁড়ে বাছুরের মতন তর্ক করা না আনাড়ির মতন তর্ক করা। আমার মা বলে তাই আমিও বললাম।
হাচিঃ খি খি খি খি......তার মানে, তুইও তোর মায়ের সাথে এঁড়েতক্ক করিস। তাই তোর মা বলে। তুই আবার আমায় বলছিস আমি এঁড়েতক্ক করছি। আবার এঁড়েতক্কর মানেও জানিসনা ঠিক করে। আবার আমায় বলিস, আমি কথার মানে না জেনে কথা বলি। তোরা দুপেয়ে মানুষগুলো মাঝে মাঝে দেখাস মাইরি। এই যাহহ, সরি, আবার মাইরি বলে ফেললুম।
আচ্ছা যাক গে যাক চটছিস কেন? আমি তো এমনি বলছিলুম। শোন না, তুইতো আমার মিষ্টি দিদি। আয় একটু কানটা চেটে দিই।
দিদিঃ কেন? এখন কেন? নিশ্চয়ই কিছু মতলব আছে। বাঁদর কোথাকার।
হাচিঃ ওহো, এখনো ঠিক করতে পারলি না আমায় বাঁদর বলবি, না ছাগল বলবি, না গাধা বলবি। কুকুর কিন্তু আমি মোটেও নই বলে দিলুম। আমি দুপেয়ে মানুষ।
(হঠাৎ উদাস হয়ে গিয়ে) যাক আর তক্ক করলুম না। ছেড়ে দিলুম। আজ এমন রঙিন দিন।
দিদিঃ তোর মতলবটা কি বলতো হাচি। হঠাৎ এত উদার হয়ে গেলি?
হাচিঃ ইয়ে মানে বলি? বল?
দিদিঃ ভ্যানতারা বাদে আবেদনাদি নিবেদিত হোক।
হাচিঃ ইয়ে, বলছি কি, ওই রঙ খেলার সাথে যে মিষ্টিগুলো খাচ্ছিলো ওরা, তার চাট্টি হবে নাকি রে?
দিদিঃ তাই বলো,খাওয়া ছাড়া এতো ভ্যানতারা তো করবে না। তোমায় আমি চিনি না।
হাচিঃ হেঁহেঁ, আছে নাকি রে?
দিদিঃ আছে দাঁড়া। কিন্তু তার জন্যে কিন্তু একটু আবীর মাখতে হবে। দোলের দিন আবীর মাখিয়ে তবে মিষ্টিমুখ করাতে হয়।
হাচিঃ আবীর? আবীর মানে? আচ্ছা বাদ দে। আবীর না কি বললি ওটা নিয়ে যা করার করে চটপট মিষ্টিটা দে দিকিন। খাবার কথা উঠলে আমি আবার লেজটা থামিয়ে রাখতে পারি না। আপনা থেকেই ঝড়ের মত দুলতে থাকে। দেখ না কিছুতেই থামাতে পারছি না। দে দে।
দিদিঃ দিচ্ছি দাঁড়া না রে হ্যাংলেশ্বরের মরণ। আগে আবীরটা দিয়ে নিই কপালে? কোন রংটা লাগাব বল? লাল আছে, সবুজ আছে, গেরুয়া আছে, হলুদ আছে, গোলাপী আছে।
হাচিঃ আরে ধুর সব গুলিয়ে দিলি আবার। কোন রংটা লাগালে বেশি মিষ্টি দিবি? নালে ঝোলে একাক্কার এখন, এরমধ্যে এই রঙ, সেই রঙ। যে রঙ এ বেশি মিষ্টি সেটাই দে।
দিদিঃ বেশি কম কোথাও নেই। একটাই পাবে যে কোনো রঙ এই। কোন রংটা পছন্দ বল।
হাচিঃ ধুর ছাতা, দেনা যা খুশি একটা। সবেতেই যখন একটাই মিষ্টি পাব তখন আর পছন্দ অপছন্দ কি? মিষ্টিটা শুধু দে তাড়াতাড়ি।
অতঃপর হাচিকো তার কালো কপাল আর সুঁচালো কালো নাকের উপর বৃহৎ একখানি হলুদ টিকা লইয়া গুজিয়া ভক্ষন করিতে লাগিল।
দিদিঃ আমি জানি না যা, এঁড়ে বাছুরের মতন তর্ক করা না আনাড়ির মতন তর্ক করা। আমার মা বলে তাই আমিও বললাম।
হাচিঃ খি খি খি খি......তার মানে, তুইও তোর মায়ের সাথে এঁড়েতক্ক করিস। তাই তোর মা বলে। তুই আবার আমায় বলছিস আমি এঁড়েতক্ক করছি। আবার এঁড়েতক্কর মানেও জানিসনা ঠিক করে। আবার আমায় বলিস, আমি কথার মানে না জেনে কথা বলি। তোরা দুপেয়ে মানুষগুলো মাঝে মাঝে দেখাস মাইরি। এই যাহহ, সরি, আবার মাইরি বলে ফেললুম।
আচ্ছা যাক গে যাক চটছিস কেন? আমি তো এমনি বলছিলুম। শোন না, তুইতো আমার মিষ্টি দিদি। আয় একটু কানটা চেটে দিই।
দিদিঃ কেন? এখন কেন? নিশ্চয়ই কিছু মতলব আছে। বাঁদর কোথাকার।
হাচিঃ ওহো, এখনো ঠিক করতে পারলি না আমায় বাঁদর বলবি, না ছাগল বলবি, না গাধা বলবি। কুকুর কিন্তু আমি মোটেও নই বলে দিলুম। আমি দুপেয়ে মানুষ।
(হঠাৎ উদাস হয়ে গিয়ে) যাক আর তক্ক করলুম না। ছেড়ে দিলুম। আজ এমন রঙিন দিন।
দিদিঃ তোর মতলবটা কি বলতো হাচি। হঠাৎ এত উদার হয়ে গেলি?
হাচিঃ ইয়ে মানে বলি? বল?
দিদিঃ ভ্যানতারা বাদে আবেদনাদি নিবেদিত হোক।
হাচিঃ ইয়ে, বলছি কি, ওই রঙ খেলার সাথে যে মিষ্টিগুলো খাচ্ছিলো ওরা, তার চাট্টি হবে নাকি রে?
দিদিঃ তাই বলো,খাওয়া ছাড়া এতো ভ্যানতারা তো করবে না। তোমায় আমি চিনি না।
হাচিঃ হেঁহেঁ, আছে নাকি রে?
দিদিঃ আছে দাঁড়া। কিন্তু তার জন্যে কিন্তু একটু আবীর মাখতে হবে। দোলের দিন আবীর মাখিয়ে তবে মিষ্টিমুখ করাতে হয়।
হাচিঃ আবীর? আবীর মানে? আচ্ছা বাদ দে। আবীর না কি বললি ওটা নিয়ে যা করার করে চটপট মিষ্টিটা দে দিকিন। খাবার কথা উঠলে আমি আবার লেজটা থামিয়ে রাখতে পারি না। আপনা থেকেই ঝড়ের মত দুলতে থাকে। দেখ না কিছুতেই থামাতে পারছি না। দে দে।
দিদিঃ দিচ্ছি দাঁড়া না রে হ্যাংলেশ্বরের মরণ। আগে আবীরটা দিয়ে নিই কপালে? কোন রংটা লাগাব বল? লাল আছে, সবুজ আছে, গেরুয়া আছে, হলুদ আছে, গোলাপী আছে।
হাচিঃ আরে ধুর সব গুলিয়ে দিলি আবার। কোন রংটা লাগালে বেশি মিষ্টি দিবি? নালে ঝোলে একাক্কার এখন, এরমধ্যে এই রঙ, সেই রঙ। যে রঙ এ বেশি মিষ্টি সেটাই দে।
দিদিঃ বেশি কম কোথাও নেই। একটাই পাবে যে কোনো রঙ এই। কোন রংটা পছন্দ বল।
হাচিঃ ধুর ছাতা, দেনা যা খুশি একটা। সবেতেই যখন একটাই মিষ্টি পাব তখন আর পছন্দ অপছন্দ কি? মিষ্টিটা শুধু দে তাড়াতাড়ি।
অতঃপর হাচিকো তার কালো কপাল আর সুঁচালো কালো নাকের উপর বৃহৎ একখানি হলুদ টিকা লইয়া গুজিয়া ভক্ষন করিতে লাগিল।
0 comments:
Post a Comment